হাদিস: হালাল উপার্জন ও দোয়া কবুলের শর্ত (মুসলিম) | Halal Earning Hadith

হাদিস: হালাল উপার্জন ও দোয়া কবুল ২০২৬
সহিহ মুসলিম Halal Sustenance Concept
উপার্জন ও ইবাদত | ২০২৬

“আল্লাহ পবিত্র, তিনি কেবল পবিত্র (হালাল) বস্তুই গ্রহণ করেন। হারাম পানাহারে লালিত ব্যক্তির দোয়া কবুল হয় না।”

— সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১০১৫

একজন মুমিনের জীবনে ইবাদত কবুল হওয়ার প্রধান পূর্বশর্ত হলো হালাল উপার্জন। সহিহ মুসলিম শরীফের এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সা.) এক ব্যক্তির উদাহরণ দিয়েছেন, যে দীর্ঘ সফর করে ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত হয়ে আকাশের দিকে হাত তুলে দোয়া করছে, কিন্তু তার খাবার, পানীয় এবং পোশাক ছিল হারাম উপার্জনের। ফলে তার দোয়া কবুল হওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। আমাদের ইবাদত আল্লাহর দরবারে পৌঁছানোর জন্য শরীরের রক্ত-মাংস হালাল খাবারে গঠিত হওয়া অপরিহার্য।

Purity and Prayer Concept

২০২৬ সালের এই অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতার যুগে মানুষ প্রায়ই উপার্জনের ভালো-মন্দের পার্থক্য ভুলে যায়। কিন্তু মনে রাখা প্রয়োজন, হারামের সাথে সামান্যতম সম্পৃক্ততা আমাদের দীর্ঘ রোনাজারি ও কান্নাকেও বিফলে পাঠিয়ে দিতে পারে। অল্প হালাল উপার্জন অনেক বেশি হারাম উপার্জনের চেয়ে বহুগুণ শ্রেষ্ঠ। এটি কেবল পরকাল নয়, বরং দুনিয়াতেও মুমিনের জীবনে বরকত ও মানসিক প্রশান্তি বয়ে আনে।

হালাল উপার্জনের ৩টি সুফল:

  • হালাল খাবার ইবাদতে একাগ্রতা এবং উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে।
  • এটি দোয়া দ্রুত কবুল হওয়ার মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
  • হালাল উপার্জন মুমিনের পরিবারে প্রকৃত শান্তি ও নিরাপত্তা আনে।
ইসলামিক শিক্ষা ও সংবাদ: yz-r.blogspot.com
© ২০২৬ আল-হেদায়াত মিডিয়া | সূত্র: সহিহ মুসলিম

Post a Comment

Previous Post Next Post