“তোমাদের মধ্যে উত্তম সেই ব্যক্তি, যে কুরআন শিক্ষা করে এবং শিক্ষা দেয়।”
— সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫০২৭কুরআন মজিদ হলো মহান আল্লাহর বাণী এবং মানবজাতির জন্য একমাত্র সঠিক পথপ্রদর্শক। সহিহ বুখারির এই মর্যাদাপূর্ণ হাদিসটিতে রাসূলুল্লাহ (সা.) কুরআন শিক্ষা ও প্রসারের গুরুত্ব অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। একজন মুমিনের জীবনে কুরআন শেখা যেমন ফরজ, তেমনি তা অন্যের কাছে পৌঁছে দেওয়াও শ্রেষ্ঠত্বের অন্যতম মাপকাঠি।
২০২৬ সালের এই প্রযুক্তিনির্ভর যুগেও কুরআনের চিরন্তন শিক্ষার আবেদন অমলিন। কুরআন কেবল তিলাওয়াতের জন্য নয়, বরং এর প্রতিটি আয়াত চিন্তা-গবেষণা ও বাস্তব জীবনে আমল করার মাধ্যমেই প্রকৃত শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা সম্ভব। যে ব্যক্তি নিজে শেখার পাশাপাশি অন্যকে শেখানোর মহান দায়িত্ব পালন করেন, আল্লাহর কাছে তিনি অনন্য মর্যাদার অধিকারী।
কুরআন শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের চরিত্র ও নৈতিকতা সংশোধিত হয়। যখন কোনো সমাজ বা পরিবারে কুরআনের চর্চা বৃদ্ধি পায়, সেখানে শান্তি ও বরকত নাজিল হয়। এই হাদিসটি আমাদের প্রতিটি মুসলিমকে উৎসাহিত করে যেন আমরা আমাদের সময়ের একটি অংশ পবিত্র কুরআন শেখা এবং এর বাণী মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ব্যয় করি।
কুরআন চর্চার ৩টি বিশেষ নেয়ামত:
- কিয়ামতের দিন কুরআন তার তিলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশ করবে।
- প্রতিটি হরফ তিলাওয়াতের বিনিময়ে ১০টি করে নেকি পাওয়া যায়।
- এটি অন্তরকে প্রশান্ত করে এবং দ্বীনের সঠিক জ্ঞান দান করে।