হাদিসের মূল পাঠ:
“কিয়ামতের দিন মুমিনের মিজানে উত্তম চরিত্রের চেয়ে অধিক ভারী আর কোনো জিনিস হবে না।”
— সুনান আত-তিরমিজি: ২০০২ইসলাম কেবল নামাজ, রোজা বা বাহ্যিক ইবাদতের নাম নয়; বরং এটি মানুষের অভ্যন্তরীণ আচরণের পরিশুদ্ধির নাম। উত্তম চরিত্র বা 'আখলাকে হাসানাহ' একজন মুমিনের ঈমানের পূর্ণতার পরিচয় দেয়। রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে প্রেরণের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্যই ছিল মানুষের চরিত্রের উৎকর্ষ সাধন করা।
এই হাদিসের মর্মার্থ হলো, পরকালের বিচার দিবসে যখন মানুষের নেকি ও গুনাহ পরিমাপ করা হবে, তখন মানুষের সুন্দর আচরণ ও নৈতিকতা সবচেয়ে বেশি ওজনদার হিসেবে গণ্য হবে। একজন ব্যক্তি সারা রাত নফল ইবাদত করে এবং সারা দিন রোজা রেখে যে মর্যাদা পায়, অনেক সময় কেবল সুন্দর ব্যবহারের মাধ্যমে একজন সাধারণ মুমিন সেই উচ্চ শিখরে পৌঁছাতে পারেন।
শিক্ষা:
ইবাদতের পাশাপাশি নিজের ব্যবহারের প্রতি যত্নশীল হওয়া মুমিনের প্রধান দায়িত্ব। যার ব্যবহার যত সুন্দর, আল্লাহর কাছে সে তত বেশি প্রিয় এবং জান্নাতে সে নবীজির তত বেশি নিকটবর্তী হবে।