২০২৬ সালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিবর্তন: মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কী ধরনের প্রভাব ফেলছে?
২০২৬ সালকে বলা হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) স্বর্ণযুগ। গত দুই বছরে প্রযুক্তির যে অভাবনীয় উন্নতি হয়েছে, তা আগে কখনো দেখা যায়নি। বর্তমানে স্মার্টফোন থেকে শুরু করে গৃহস্থালির কাজ—সবখানেই এআই-এর পদচারণা স্পষ্ট।
স্মার্ট সিটি ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাপনা
বিশ্বের বড় বড় শহরগুলোতে এখন ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পর্যন্ত সবকিছুই পরিচালিত হচ্ছে কেন্দ্রীয় এআই সিস্টেমের মাধ্যমে। এর ফলে সময় ও সম্পদের অপচয় কমেছে প্রায় ৪০ শতাংশ। বিশেষ করে টোকিও এবং দুবাইয়ের মতো শহরগুলো এখন সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় হয়ে উঠেছে।
এআই-এর প্রভাব এক নজরে:
- চিকিৎসা বিজ্ঞানে সঠিক রোগ নির্ণয়ের হার বেড়েছে ৯০%।
- কৃষি খাতে ফলন বৃদ্ধি পেয়েছে ২৫% পর্যন্ত।
- শিক্ষা ক্ষেত্রে পার্সোনালাইজড লার্নিং সহজ হয়েছে।
মানুষের কর্মসংস্থান ও আগামীর চ্যালেঞ্জ
প্রযুক্তির এই জোয়ারে যেমন সুবিধা বাড়ছে, তেমনি তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ। অটোমেশনের কারণে অনেক প্রথাগত পেশা বিলুপ্ত হলেও ডেটা সায়েন্স এবং এআই এথিক্স-এর মতো নতুন নতুন হাজারো কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, ভবিষ্যৎ বাজারের সাথে টিকে থাকতে হলে এখন থেকেই নতুন দক্ষতা অর্জনের কোনো বিকল্প নেই।
আরও খবর পড়তে আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন।
খবরটি শেয়ার করুন
Comments
Post a Comment