“যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের ওপর ঈমান রাখে, সে যেন তার মেহমানকে সম্মান করে এবং প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়।”
— সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬০১৮ইসলামে মেহমানদারি ও প্রতিবেশীর অধিকার রক্ষা করাকে সরাসরি ঈমানের সাথে যুক্ত করা হয়েছে। সহিহ বুখারি শরীফের এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সা.) একটি সুশৃঙ্খল ও ভালোবাসাপূর্ণ সমাজের রূপরেখা প্রদান করেছেন। মেহমান যখন আমাদের ঘরে আসেন, তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে বরকত নিয়ে আসেন। একইভাবে, আমাদের পাশে বসবাসকারী প্রতিবেশী—সে মুসলিম হোক বা অমুসলিম—তার নিরাপত্তা ও সুখের দায়িত্ব নেওয়া আমাদের ঈমানি দায়িত্ব।
২০২৬ সালের এই যান্ত্রিক যুগে আমরা অনেক সময় আমাদের পাশের ফ্ল্যাট বা বাড়িতে কে আছে তার খবরও রাখি না। কিন্তু ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে যে, প্রতিবেশীকে অভুক্ত রেখে নিজে পেট পুরে খাওয়া প্রকৃত মুমিনের কাজ নয়। মেহমানকে হাসিমুখে বরণ করা এবং প্রতিবেশীর বিপদে এগিয়ে আসা কেবল সৌজন্য নয়, বরং এটি আখেরাতে নাজাত পাওয়ার একটি বড় উসিলা। এই ছোট ছোট আমলগুলোই একজন সাধারণ মানুষকে আল্লাহর প্রিয় বান্দায় পরিণত করে।
সামাজিক ৩টি বিশেষ শিক্ষা:
- মেহমানকে সাধ্যমতো আপ্যায়ন করা এবং তাকে গুরুত্ব দেওয়া।
- প্রতিবেশীর সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসা।
- কথায় বা আচরণের মাধ্যমে প্রতিবেশীর কোনো অসুবিধা না করা।