পাসপোর্ট এবং ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও সুরক্ষিত করতে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল e-Passport 2.0। উন্নত মানের পলিকার্বোনেট ডেটা পেজ এবং নতুন প্রজন্মের শক্তিশালী মাইক্রোচিপ সম্বলিত এই পাসপোর্ট বিশ্বের যেকোনো দেশের ইমিগ্রেশনে দ্রুততা নিশ্চিত করবে। 🛂🛡️
✨ নতুন সংস্করণের বিশেষ ফিচারসমূহ:
- 🔹 বায়োমেট্রিক ২.০: উন্নত আঙুলের ছাপ ও উচ্চ রেজুলেশনের আইরিস স্ক্যান।
- 🔹 ফেসিয়াল রিকগনিশন: ই-গেটে দাঁড়ানো মাত্রই স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচয় শনাক্তকরণ।
- 🔹 ডিজিটাল ভিসা কার্ড: পাসপোর্টের চিপের ভেতরেই থাকছে কিউআর কোড ভিত্তিক ডিজিটাল ভিসা স্টোরেজ।
- 🔹 দ্রুত ডেলিভারি: স্মার্ট প্রোডাকশন লাইনের মাধ্যমে মাত্র ৫ দিনে পাসপোর্ট ডেলিভারি।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বসানো হয়েছে নতুন ১০টি স্মার্ট ই-গেট। এর ফলে একজন যাত্রীর ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে সময় লাগবে মাত্র ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ড। এটি পাসপোর্টের নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি জালিয়াতি রোধে শতভাগ কার্যকর হবে। ✅🚀
যারা বর্তমানে পুরনো ই-পাসপোর্ট ব্যবহার করছেন, মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই এই ২.০ সংস্করণে আপগ্রেড করতে পারবেন। স্মার্ট বাংলাদেশের পথে এটি এক বিশাল অর্জন। 🇧🇩📈