বুখারি ও মুসলিম
ঈমান ও আমল সিরিজ | ২০২৬
ইসলামিক জীবনধারা ও শিক্ষা: yz-r.blogspot.com
“মোনাফেকের আলামত তিনটি: যখন কথা বলে মিথ্যা বলে, ওয়াদা করলে তা ভঙ্গ করে এবং আমানত রাখলে খেয়ানত করে।”
— সহিহ বুখারি: ৩৩, সহিহ মুসলিম: ৫৯ঈমানদার ও মোনাফেকের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দেয় তার কর্ম ও আচরণ। রাসূলুল্লাহ (সা.) এই হাদিসে মোনাফেকের তিনটি বড় লক্ষণের কথা উল্লেখ করেছেন। মোনাফেক হলো এমন ব্যক্তি যে মুখে নিজেকে মুমিন দাবি করে কিন্তু অন্তরে অবাধ্যতা পোষণ করে। মিথ্যা কথা বলা, প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করা এবং আমানতের খেয়ানত করা—এই তিনটি স্বভাব যার মধ্যে আছে, সে ব্যক্তি নিজেকে মুমিন দাবি করলেও তার মধ্যে মোনাফেকির বীজ রয়ে গেছে।
২০২৬ সালের এই যুগে আমানতদারিতা কেবল অর্থ-সম্পদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কারও কথা গোপন রাখা, নিজের দায়িত্ব পালন করা এবং মানুষের বিশ্বাস রক্ষা করাও আমানতের অংশ। আমানতদারিতা মানুষের চরিত্রের মেরুদণ্ড। যে সমাজের মানুষের মধ্যে এই গুণগুলো থাকে না, সে সমাজে শান্তি ও বিশ্বাস বিলীন হয়ে যায়। একজন প্রকৃত মুমিনকে এই তিনটি ধ্বংসাত্মক স্বভাব থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।
মোনাফেকি থেকে বাঁচার ৩টি উপায়:
সব অবস্থাতেই সত্য কথা বলা, এমনকি নিজের ক্ষতি হলেও।
কারও সাথে কোনো ওয়াদা করলে তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পূরণ করা।
মানুষের গচ্ছিত সম্পদ ও বিশ্বাসের পূর্ণ আমানত রক্ষা করা।