সুনানে তিরমিজি
সালাত ও ইবাদত সিরিজ | ২০২৬
ইসলামিক জীবনধারা ও শিক্ষা: yz-r.blogspot.com
“কিয়ামতের দিন বান্দার আমলসমূহের মধ্যে সর্বপ্রথম তার নামাযের হিসাব নেওয়া হবে।”
— সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৪১৩পরকালের কঠিন ময়দানে সফলতার প্রথম সোপান হলো নামায। রাসূলুল্লাহ (সা.) এই হাদিসের মাধ্যমে মুমিনদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সতর্কবার্তা দিয়েছেন। নামায হলো দীনের স্তম্ভ এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের প্রধান মাধ্যম। যার নামাযের হিসাব ঠিক হবে, তার পরবর্তী সব আমলের হিসাব সহজ হয়ে যাবে। আর যার এই প্রথম হিসাবটিই অকেজো প্রমাণিত হবে, তার অন্যান্য আমলগুলোও বিপন্ন হয়ে পড়বে।
২০২৬ সালের এই প্রযুক্তিনির্ভর যুগে মানুষ যখন দুনিয়াবি কাজে অতিমাত্রায় মগ্ন, তখন নামাযই আমাদের আধ্যাত্মিক সংযোগ বজায় রাখার পথ। নামায কেবল একটি ধর্মীয় আচার নয়, বরং এটি মানুষকে অন্যায় ও অশ্লীল কাজ থেকে দূরে রাখে। একজন মুমিনের জীবনে নামায হলো সেই আলো, যা তাকে দুনিয়া ও আখেরাতে পথ দেখাবে। তাই সময়মতো নামায আদায় করাই মুমিনের জীবনের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।
নামাযের ৩টি বিশেষ ফজিলত:
নামায মানুষকে আল্লাহর সরাসরি সান্নিধ্য দান করে।
এটি মনের যাবতীয় অস্থিরতা ও দুশ্চিন্তা দূর করে প্রশান্তি আনে।
কিয়ামতের ময়দানে নামায মুমিনের জন্য নূর বা আলো হবে।